ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেবে না আ.লীগ,

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেবে না আ.লীগ,

রাজশাহী প্রতিনিধি >>> আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘বিএনপি আগামী ৩ ডিসেম্বর (শনিবার) রাজশাহীতে সমাবেশ করবে। সব রাজনৈতিক দল তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি মিছিল, সমাবেশ করবে এটাই রাজনৈতিক চর্চা।

রাজশাহীতে বিএনপি সমাবেশ করবে এতে আমাদের কোনও বাধা থাকবে না, তবে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সমাবেশের নামে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কোনও কর্মকাণ্ড তথা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে কোনও অশোভন মন্তব্য এবং রাজশাহীর জনগণের জানমালের ক্ষতি করলে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ তা বরদাশত করবে না। রাজশাহীর সমাবেশকে ঘিরে বিএনপি যদি এমন অশুভ তৎপরতা ও অপরাজনীতি করতে চায়, তাহলে রাজপথে থেকে রাজনৈতিকভাবে এর সমুচিত জবাব দেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।’

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলুসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খাইরুজ্জামান লিটন বলেন, ‘এই সমাবেশকে ঘিরে তারা ইতোমধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে নানা রকম ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। যখনই বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসে ঠিক তখনই বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বিএনপি ইতোপূর্বে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সমাবেশ করেছিল। সেই সমাবেশ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। ওই হুমকির প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগর রাজনৈতিকভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে এবং আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য একটি রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করি, যা বর্তমানে চলমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, বিএনপি এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ডগুলোতে কর্মী সভার নামে সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনসহ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশোভন বক্তব্য দিয়ে রাজশাহীর শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চায়। উসকানিমূলক বক্তব্যে রাজশাহীর স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করে তারা হীন রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চায়। এরই ধারাবাহিকতায় লক্ষ করলাম, গত ২৯ নভেম্বর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক কর্মী সভায় মিজানুর রহমান মিনু যে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করে কাল্পনিক হত্যাকাণ্ডের তথ্য উপস্থাপন করেছেন, এর মাধ্যমে মৌলবাদী ও জঙ্গিগোষ্ঠীকে উসকে দিয়ে তারা আবারও রাজশাহীতে জঙ্গিবাদ কায়েম করতে চায়- জনাব মিনুর বক্তব্যে তা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।’

মেয়র বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশগুলোতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বক্তব্য প্রদান করেছেন তাতে দেশ অস্থিতিশীল করার একটি ইঙ্গিত বহন করে। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পরিষ্কার, দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজনৈতিক স্বাভাবিক সরকার ক্ষমতায় থাকুক তারা তা চায় না। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, তারা অগণতান্ত্রিক পন্থায় ও প্রভু শক্তির সহায়তায় দেশের ক্ষমতা দখল করে আবারও দেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে কায়েম করতে চায়।

তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির নেতাদের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে, দেশে কোনও সরকার নেই। তারা বক্তব্য দিয়ে বলছেন, রাজশাহীতে সেমিফাইনাল খেলা এবং ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় ফাইনাল খেলা হবে। তাদের দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, তারা রাজপথের আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও নাশকতার রাজনীতি বেছে নিয়েছে। তারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এর ধারাবাহিকতায় আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করলাম, তারা রাজশাহীর বিভিন্ন ছাত্রাবাসগুলোতে বিএনপি-জামায়াতের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সমাবেশ ঘটাচ্ছে। আমরা লক্ষ করলাম, বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত ২২ নভেম্বর তানোর ডাকবাংলো মাঠে বোমা মজুত করার সময় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ হয় এবং সেখান থেকে অনেক ককটেল বোমা উদ্ধার করা হয়।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার গণতন্ত্রের চর্চায় বিশ্বাস করে এবং বিশ্বাস করে বলেই বিরোধী দলের সমাবেশে কোনও বাধা প্রদান না করে বিএনপিকে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, এই সমাবেশগুলোকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতারা নানাবিধ কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করছে। তারা বলছে, তাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

বিনোদন

  • গত ১৯ জানুয়ারি বিয়ে করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুশা চট্টোপাধ্যায়। বিয়ের পরেই ১৩ বছরের অভিনয় জীবন থেকে বিদায় নিচ্ছেন অভিনেত্রী। আগামী ফেব্রুয়ারিতেই বিদেশে উড়ে যাবেন তিনি। সেখানেই ঘর বাঁধবেন। সুতরাং অভিনেত্রীর নতুন ইনিংসের সূচনায় একদিকে যেমন খুশি ভক্তরা, তেমনি মন খারাপও তাদের।  কারণ বিয়ের আগেই রুশা জানিয়েছিলেন, অভিনয় ক্যারিয়ারে আপাতত ইতি টানছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনই তাঁর প্রায়রিটি লিস্টে এক নম্বরে। তবে রুশার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসামাত্রই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়ে যায় খিল্লি, কেননা অভিনেত্রীর উচ্চতার তুলনায় খানিকটা খাটো তাঁর স্বামী। অভিনেত্রীর ভাই বলে সম্বোধন করেছেন অনেকেই। যুক্তরাষ্ট্র নিবাসী বরের গলায় মালা পরিয়েছেন রুশা। যদিও অনুরণ কর্মসূত্রে বিদেশে থাকেন কিন্তু তাঁর বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার অশোকনগরে।  রিসেপশনের পরের দিনই ছিল রুশার জন্মদিন, তাই বউভাতের রাতেই বাড়ির অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেছেন নায়িকা। বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যে আবারও সেলিব্রেশন মুডে নবদম্পতি। উপলক্ষ বিয়ের পর প্রথম ভাইয়ের জন্মদিন। তাই বরকে আর পুরো পরিবারকে পাশে নিয়েই জন্মদিন উদযাপন করলেন রুশা।  বিয়ের পর বিতর্কে জড়ালেও কোনো কিছুতেই প্রতিক্রিয়া জানাননি অভিনেত্রী। বরং স্বামীর সঙ্গে মাঝরাতেই কেক কেটে নিজের জন্মদিন উদযাপন করলেন নায়িকা।

  • শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বিতর্কিত সিনেমা ‘পাঠান’। ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাবে এ সিনেমা। ২০ জানুয়ারি অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর কথা থাকলেও তা শুরু হয় ১৮ জানুয়ারি থেকে। আর প্রথম দিনেই সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড গড়েছে। বক্স অফিস বিশ্লেষক অতুল মোহন এক টুইটে জানিয়েছেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনে মোট ৯০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। যার মধ্যে পিভিআর: ৩৫ হাজার, আইএনওএক্স: ৩০ হাজার ও সিনেপোলিস: ২৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। টিকিট বিক্রির পরিসংখ্যান ১৮ জানুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত। হিন্দুস্তান টাইমসকে অতুল মোহন বলেন, ‘পরিসংখ্যান বলছে যদি অগ্রিম বুকিংয়ের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রি হয়, তাহলে মুক্তির আগের দিন এই বিক্রির পরিমাণ শীর্ষে ওঠে যাবে। তাই নির্দ্বিধায় বলতে পারি, এটা সিনেমার জন্য ভালো লক্ষণ। সিনেপোলিস, পিভিআর এবং আইএনওএক্স-এর মতো হলগুলো ‘পাঠান’ সিনেমা পাঁচটির মধ্যে চারটি স্ক্রিনে দিয়েছে। আরেক বক্স অফিস বিশ্লেষক তরন আদর্শ এক টুইটে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পাঠান সিনেমার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার। যার মধ্যে পিভিআর: ৫১ হাজার, আইএনওএক্স: ৩৮ হাজার ৫০০ ও সিনেপোলিস: ২৭ হাজার ৫০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে লিখেছের সুনামি লোডিং। শুক্রবার থেকে টিকিট বিক্রি পুরোদমে শুরু হবে। বক্স অফিস বিশ্লেষক অক্ষয় রাঠি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন— ‘‘প্রথম দিনে ‘পাঠান’ সিনেমা আয় করবে ৩৫ কোটি রুপি। বুধবার (২৫ জানুয়ারি, মুক্তির দিন) কর্মব্যস্ত দিন হওয়া সত্ত্বেও এটি বড় প্রাপ্তি। আমার বিশ্বাস, ২৬ জানুয়ারি সিনেমাটি ৪৫ কোটি রুপি আয় করবে।’###

  • আঃ মজিদ খান, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত ছিল কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। দিনটিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ ও পেশার ভ্রমণপিপাসু মানুষ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসেন। দিনভর নানা আয়োজনে মেতেছিলেন তারা। তবে খাবারের মান এবং হোটেল ভাড়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পর্যটকরা। তাদের দাবি, বিষয়টি স্থানীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরে নেওয়া উচিত।কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের মধ্যে কেউ ঘুরেছেন লেম্বুর চর, গঙ্গামতি চর, ফাতরার বন, কাঁকড়ার চর ও রাখাইন পল্লী, রাখাইন মার্কেটসহ অন্যান্য আকর্ষণীয় স্পটগুলো। কেউ কেউ উপভোগ করছেন সাগরের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য। কেউ আবার সেলফি তুলে, সমুদ্রে সাঁতার কেটে, ঘোড়ায় চড়ে স্মরণীয় করে রেখেছেন মুহূর্তগুলো। সবমিলিয়ে পর্যটকদের পদচারণায় ১৮ কিলোমিটারের দীর্ঘ এই সমুদ্র সৈকতটি মুখরিত হয়ে ওঠে।শুক্র ও শনিবার দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে রোববারের বড়দিনের ছুটি। টানা তিনদিনের ছুটি উপভোগ করতে ভ্রমণপ্রেমিরা ছুটে আসেন কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ও শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক এখানে আসতে শুরু করেন।এদিকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পর্যটকদের আনন্দ কিছুটা হলেও ম্লান করে দিয়েছে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলের ভাড়া এবং খাবারের মান। খাবারের অতিরিক্ত দাম ও হোটেলে গলাকাটা ভাড়া নেওয়ায় অভিযোগ করে পর্যটকরা বলছেন, বিষয়টি স্থানীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরে নেওয়া উচিত।ঢাকা থেকে আগত ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কুয়াকাটা অপরূপ সৌন্দর্য্যে ভরা। এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখা যায়। আমি এর আগেও একবার এখানে এসেছিলাম। তখন ব্যয় অনেক কম ছিল। কিন্তু এবার এসে দেখি সবকিছু বদলে গেছে। তিনি বলেন, এর আগেরবার যে হোটেল ভাড়া দিয়েছিলাম এক হাজার টাকা, এবার সেই হোটেল ভাড়া দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। খাবার হোটেলেরও একই অবস্থা। খাবারের মানের চেয়ে দাম অনেক বেশি নেওয়া হচ্ছে। এসব পর্যটন এলাকার জন্য ভালো লক্ষণ নয়। এতে পর্যটন এলাকার ক্ষতি হচ্ছে।ঢাকা থেকে আগত আরেক পর্যটক ইসমাইল হোসেন বলেন, কুয়াকাটা অনেক সুন্দর। কিন্তু খাবারের মান ও দাম দেখে সবকিছু ম্লান হয়ে যাচ্ছে। খাবারের মানের তুলনায় দাম অনেক বেশি। মান ভালো করে এবং দাম কমালে পর্যটকরা খুশি হতো এবং পর্যটকদের আগমন আরও বেড়ে যেত।এ ব্যাপারে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোতালেব শরীফ বলেন, বড়দিনের ছুটিকে ঘিরে কুয়াকাটা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। হোটেল-মোটেলের শতভাগ রুম বুকিং ছিল। তবে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ বাড়তি ভাড়া নিলে এবং তা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক জানান, তিনদিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বড়দিনকে ঘিরে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ সত্য। কোনো নিয়ম-কানুনের বালাই নেই। যে যেভাবে পারছে পর্যটকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।  জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মোঃ শাহ শোয়াইব মিয়া জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর তিনি এখানে যোগদান করেছেন। জানুয়ারিতে পর্যটকদের ভরা মৌসুমে কুয়াকাটায় অভিযান চালানো হবে এবং সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া হবে। কেউ নিয়ম না মানলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।###

  • আঃ মজিদ খান, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ তিন দিনের সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনেও শনিবার ২৪ ডিসেম্বর পর্যটকে টইটুম্বর হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশাকে উপক্ষো করেই সকাল থেকে সৈকতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকরা। এদিকে, আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করে চলেছে প্রশাসন। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আগত পর্যটকরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সৈকতের জিরো পয়েন্টে সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালিতে মেতেছেন। অনেকে আবার সেলফি তুলে ছড়িয়ে দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কেউবা আবার সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। আবার অনেকেই বন্ধুদের নিয়ে মোটরসাইকেল কিংবা ঘোড়ায় করে ছুটি চলেছেন। এছাড়া কুয়াকাটার চর বিজয়, গঙ্গামতি, কাউয়ার চর, ঝাউবন, শুটকি পল্লী, লেবুর বন ও তিন নদীর মোহনাসহ সবকটি পর্যটন স্পটে এখন পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা। পর্যটকদের এমন ভিড়ে বিক্রি বেড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাই অনেকটা খুশি ব্যবসায়ীরা।  এদিকে আজ রোববার পর্যন্ত বুকিং রয়েছে কুয়াকাটার শতভাগ হোটেল মোটেল। অনেক পর্যটক হোটেলের সিট না পেয়ে আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয়দের বাসা বাড়িতে। কুয়াকাটা চৌরাস্তা থেকে শুরু করে পৌরসভা পর্যন্ত যানযট লেগে থাকছে প্রায়ই। কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টে কথা হয় পর্যটক তামান্না রহমানের সঙ্গে কথা হয় ডেইলি তালাশ এর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থেকে পরিবারের ৫ সদস্য নিয়ে কুয়াকাটায় এসেছি। সকাল থেকে বাচ্চারা সৈকতের বালিয়াড়িতে খেলাধুলা করছে। আমরা বেশ আনন্দ করছি।’ সাতক্ষীরা থেকে আসা অপর পর্যটক মিথিলা সাকিব বলেন, প্রিয় জনকে সঙ্গে নিয়ে সৈকতের বেঞ্চিতে বসে সাগরের ঢেউ উপভোগ করা এক অন্যরকম অনুভ‚তি। সকাল থেকে বেঞ্চিতে বসে আছি। নানা বয়সের মানুষ দেখছি। কুয়াকাটায় এসে মনটা ভরে গেছে।’ কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল খালেক বলেন, ‘যে কোনো অপৃতিকর ঘটনা এড়াতে সবকটি পর্যটন স্পটে আমাদের ট্যুরিষ্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশও পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে।’###

  • ডেইলি তালাশ ডেস্ক>>চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘির ফেসবুকের একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। দীঘির অভিযোগ, তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতির শিকার হয়েছেন। পরিচালকের বিরুদ্ধে তিনি কথা দিয়ে কথা না রাখার অভিযোগ করেছেন। এবিষয় নির্মাতা রায়হান রাফিও মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘দীঘির উচিত টিকটক বাদ দিয়ে অভিনয়ে মনোযোগী হওয়া।তার ফিটনেসের দিকে আরও মনোযোগী হওয়া উচিত। তাকে শুধু আমার সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বিষয়টা এমন না, অন্যরা কেন তাকে সিনেমা থেকে বাদ দিল? নিশ্চয়ই তার কোনো ঘাটতি আছে।’ এদিকে পরিচালক রাফির এই মন্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা মডেল-অভিনেত্রী শাহ হুমায়রা সুবাহ। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লেখেন- বাংলাদেশের রেকর্ড হয়ে থাকল! এইভাবে কোনো দিন কোনো বড় ডিরেক্টর, কোনো নায়িকাকে প্রকাশ্যে তার ফিগার নিয়ে অপমান করতে দেখিনি। উনি এমনভাবে কথা বলেছেন যেন ইন্ডিয়ান নির্মাতা করণ জোহর বা সঞ্জয়লীলা বানসালি হয়ে গেছেন। রায়হান রাফিকে ইঙ্গিত করে সুবাহ আরও বলেন, যে প্রেম করতে পারবে সেই ভালো নায়িকা, ভালো ফিগারের সুন্দরী নায়িকা!…… এটা কি ধরনের মিনিং!’  এই অভিনেত্রী আরও লেখেন- বর্তমান যুগে অনেক বড় বড় বলিউড এবং বাংলাদেশের নায়ক-নায়িকারা অনেকেই টিকটক করেন।এভাবে একটা নায়িকাকে অপমান করা হলো বিষয়টা খুব কষ্টের তারপরও সে (দীঘি) ছোট থেকেই অভিনেত্রী আবার স্টারকিড। তিনটা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাঁর ঝুলিতে আছে। সে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী, তাকে অবশ্যই সম্মান দিয়ে কথা বলা উচিত ছিল তার। সুবাহ আরও লেখেন- চলচ্চিত্রের প্রযোজক পরিচালক মানে সিনেমার বাবা মা, ওনারা যদি এইভাবে এই ভাষায় অভিনেত্রীদের নিয়ে কথা বলে তাহলে বিষয়টা খুবই দুঃখজনক এবং হতাশার। এইভাবে বডি শেমিং করা ঠিক হয়নি। আপনাদের সবার উচিত এই সব ফালতু মন মানসিকতার মানুষদের শিক্ষা দেওয়া। আমিও চলচ্চিত্রের একজন অংশ এবং আমিও একটা মেয়ে তাই বিষয়টি আমার খারাপ লেগেছে আর আমি পারসোনালি দিঘিকে অনেক পছন্দ করি। আমি কখনো কাউকে ছাড়ে কথা বলিনি এবং বলবও না আমার কাছে খুবই খারাপ লেগেছে ওই ডিরেক্টরের কথাবার্তাগুলো। দিঘির জায়গায় হয়তো আমিও এ রকম বাজে ভাবে বডি সেভিং এর শিকার হতে পারি দুদিন পর! ওনার মতো ডিরেক্টর এর কাছে। দিঘির বাবা আমার ছবিতে আমার বাবা হয়েছিলেন অনেক ভালো মানুষ আর দিঘির মা অনেক নামকরা নায়িকা দোয়েল ছিলেন। দিঘি একটা অল্প বয়সের মা হারা মেয়ে।###

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |