ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন গোপালগঞ্জের প্রবীন সাংবাদিক রবীন্দ্রনাথ অধিকারী গোপালগঞ্জে স্বপ্ন ফেরিওয়ালা সংগঠনের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান আমার স্বামীকে বাঁচান টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা বরগুনায় জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগর উত্তাল ৫৮ জেলে উদ্ধার নিখোজ- ১৮ পাঁচবিবিতে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রকে মারধরের>প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন বিয়ের প্রলোভনে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার পাঁচবিবিতে ৫০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পাঁচবিবিতে সরকারি ঔষধ বিক্রির দায়ে ২টি ফার্মাসির অর্থদণ্ড
বিধবা নয়, তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা :>শিবগঞ্জে কার্ড বিতরনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

বিধবা নয়, তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা :>শিবগঞ্জে কার্ড বিতরনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

মোহাঃ ইমরান আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি>>> চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সুবিধা ভোগী কার্ড বিতরনে ব্যাপাক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিধবা নয়, তবুও অনেকে পাচ্ছেন বিধবা ভাতার সুবিধা। স্বামী বেঁচে থাকা অবস্থায় টাকার বিনিময়ে দেয়া হয়েছে বিধবা ভাতার কার্ড। ঘটনাটি ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কান্তিনগর গ্রামে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আনসার সদস্য শওকাত আলীর স্ত্রী ছবিয়ারা বেগমের নামে রয়েছে বিধবা ভাতার কার্ড। তার বই নং ৮৭৭, ব্যাংকিং হিসাব নং ১৭৪১৭২। তিনি বলেন এক মেম্বারের সাথে আমার ভাল সম্পর্ক থাকায় তার কাছে কার্ডটি করে নিয়েছি। কোন টাকা দেয়নি। তার স্বামী শওকাত আলী জানান, কার্ড হয়েছে তাতে কি হয়েছে ? আরো কত জন কি করছে তার হিসাব নেই।
একই গ্রামের ফাহসান আলীর স্ত্রী মিলিয়ারা বেগমও পেয়েছেন বিধবার ভাতার কার্ড। সে ৩বারে ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। তার স্বামী ফাহসান আলী জানান, আমি বেঁচে থাকা অবস্থায় কিভাবে আমার স্ত্রীর নামে বিধবা ভাতার কার্ড হয়েছে তা আমি জানি না। তার বই নং ৮৭৮, ব্যাংকিং হিসাব নং ১৭৪৭৪৮।
একরাম আলীর স্ত্রী মোসাঃ চিরল বেগম জানান, আমি আমার মায়ের বিধবা ভাতার কার্ডে নমিনি হিসাবে ছিলাম। তার মৃত্যুর পর আমাকে কার্ডটি দিয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে আমার স্বামী বেঁচে আছেন। তিনিও তিনবারে ৬ হাজার টাকা পেয়েছেন। কাউকে কোন টাকা দেয়ার কথা অস্বীকার করলে তার প্রতিবেশী কয়েকজন মহিলা জানান, মেম্বারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। একই ভাবে একই গ্রামের বিধবা ভাতার কার্ড পেয়েছেন আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী জোগো বেগম, রোজলুর স্ত্রী পানতারা বেগম, জিয়ারুলের স্ত্রী।
তবে আহাদের স্ত্রী এমালী বেগম ও মজিবুর রহমানের স্ত্রী কাচু বেগম জানান, আমরা এখনো বই পাইনি। কার্ডধারীদের সাথে কথা বলার সময় তারা বলেন, আমাদেরকে সাবেক মহিলা মেম্বার সাহেলা বেগম ও মেম্বার অলিউর রহমানের মাধ্যমে কার্ড করে দিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, শুধু ৩নং ওয়ার্ডেই স্বামী বেঁচে থাকার পরও প্রায় ৫০টি বিধবা ভাতার কার্ড করা হয়েছে এবং তারা সবাই ৩/৪বার করে টাকা উত্তোলন করেছে। ভুক্তভোগী এক বিধাবা জানান, ২১ বছর আগে আমার স্বামী মারা গেছে। ১৯বছর কেউ খোঁজ নেয়নি। তিন বছর আগে মেম্বারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এক বছর আগে বই পেয়েছি এবং এখন টাকা পাচ্ছি।
এব্যাপারে সাবেক মহিলা মেম্বার সাহেলা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে পরিবর্তনের কয়েকটি কার্ড করে দেয়ার কথা স্বীকার করেন। বর্তমান মোবারকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মিঞা বলেন, আমি ইতিমধ্যে ৩টি অবৈধ বিধবা ভাতার কার্ড বাতিল করেছি। এখনো তদন্ত করছি। যখন যেটা অবৈধ কার্ডের সন্ধান পাবো, সেটি তখনই বাতিল করবো। শিবগঞ্জ উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস বলেন, সারা উপজেলায় প্রায় ৫৬ হাজার সুবিধা ভোগীর কার্ড রয়েছে। যা তদন্ত করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। তবে অভিযোগ পেলে তৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
তিনি আরো বলেন, আমরা বারবার সুবিধাভোগীদের তালিকা চেয়ে ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদেরকে বা চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছি। তাদের দেয়া তালিকা পেলেই আমরা অনুসন্ধান চালিয়ে অবৈধগুলোকে বাতিল করবো এবং ভবিষ্যতে যে আর কেউ ভূয়া সুবিধাভোগীর কার্ড করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকবো।###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |