ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর আ.লীগের সম্মেলন শুরু কলাপাড়ায় সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট চর হেয়ার ও সোনারচর ঠাকুরগাঁও জগদল সীমান্তে দুই বাংলার হাজারো মানুষের দিনব্যাপী মিলন মেলা কোর্ট এর আদেশ লঙ্গন করতে গেলে আ’লীগ রাস্তায় দারাবে !!গোলাপ এমপি র‌্যাব-৩ এর অভিযানে সৌদি আরবে মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার শিশুদের পাইলসের লক্ষণ, অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি কতটা? হেরেও নকআউটে স্পেন, চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিদায় !!স্মরণীয় জয়ে গ্রুপসেরা জাপান ফরিদপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বাঙালির মাছ ভাজি’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন পরেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলন কাল, নেতৃত্ব যাচ্ছে ওবায়দুল কাদের হাতে?
বাউফল শিক্ষক সংকটে চন্দ্রদ্বীপে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা

বাউফল শিক্ষক সংকটে চন্দ্রদ্বীপে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ইউনিয়ন চন্দ্রদ্বীপ। খুব সহজে এ ইউনিয়নের বাসিন্দারা উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

বর্তমানে শিক্ষক সংকটের কারণে সদর থেকে বিচ্ছিন্ন এই ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে উপজেলার শিক্ষার হার একেবারে নগণ্য। তবে বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ উদাসীন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের মোট ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৫০ জন আর শিক্ষকের পদ রয়েছে ৩৩টি। কিন্তু বাস্তবে ছয়টি বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন মাত্র ১৩ জন শিক্ষক। এর মধ্যে চরওয়াডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন তিনজন, দক্ষিণ চরওয়াডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুজন, চররায়সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনজন, চরকচুয়া-মিয়াজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুজন, চরব্যারেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন ও আসম ফিরোজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুজন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষক সংকটের কারণে কখনো একই কক্ষে একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে পাঠদান করাতে হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন, ‘দারিদ্র্যতার কারণে এখানকার শিশুরা সহজে স্কুলমুখী হয় না। তার ওপর শিক্ষক স্বল্পতার কারণে প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠদান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় এখানে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন শিক্ষক বদলি এবং সংযুক্তি বন্ধ করে রাখায় এ সমস্যার সমাধানও হচ্ছে না।’চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আফরোজা বেগম বলেন, ‘এমনিতেই আমরা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী।

তার উপর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা না হলে আরও পিছিয়ে যাব। তিনি বলেন, দুর্গম জনপদ হওয়ায় শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিত স্কুল পরিদর্শন করেন না। আমি চন্দ্রদ্বীপের প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকের শূ্ন্যপদ পূরণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’ চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ মোল্লা বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে মাত্র ২-৩ জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ ঘোষ বলেন, ‘বদলি ও সংযুক্তি বন্ধ থাকায় সেখানে শিক্ষক পোস্টিং দেওয়া যাচ্ছে না। তবে বদলির আদেশ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’  ###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |