ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর আ.লীগের সম্মেলন শুরু কলাপাড়ায় সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট চর হেয়ার ও সোনারচর ঠাকুরগাঁও জগদল সীমান্তে দুই বাংলার হাজারো মানুষের দিনব্যাপী মিলন মেলা কোর্ট এর আদেশ লঙ্গন করতে গেলে আ’লীগ রাস্তায় দারাবে !!গোলাপ এমপি র‌্যাব-৩ এর অভিযানে সৌদি আরবে মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার শিশুদের পাইলসের লক্ষণ, অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি কতটা? হেরেও নকআউটে স্পেন, চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিদায় !!স্মরণীয় জয়ে গ্রুপসেরা জাপান ফরিদপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বাঙালির মাছ ভাজি’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন পরেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলন কাল, নেতৃত্ব যাচ্ছে ওবায়দুল কাদের হাতে?
বাউফলের তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়ায় নিষিদ্ধ জালে অবাধে মাছ শিকার

বাউফলের তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়ায় নিষিদ্ধ জালে অবাধে মাছ শিকার

আঃ মজিদ খান, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীতে নিষিদ্ধ বড় ও বহুদি জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার চলছে। ভয়ংকর এই জাল দিয়ে শুধু মাছ শিকারই নয় ধংস করা হচ্ছে সকল প্রজাতির মাছের রনু। ফলে দিনে দিনে প্রকৃতিকভাবে তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীতে মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নেয়া হলে হারিয়ে যাবে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।সরেজমিনে পরিদর্শনকালে জানা যায়, বাউফলের তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নিষিদ্ধ বহুদি ও বড় জাল দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে।

একাধিক ডুবা চর এবং নদীর তীর ঘেঁষে কয়েক’শ মিটার দৈর্ঘের এক একটি বড় জাল জোয়ারের সময় পাতা হয়। ভাটার সময় পানি নেমে গেলে বড় জালে আটকা পড়ে ছোট বড় মাছের পাশাপাশি অসংখ্য মাছের রনু। অপরদিকে বহুদি জালকে স্থানীয় ভাষায় বাঁধা জাল বলা হয়। এই বাঁধা জাল পানির গভীরে আড়াআড়ি ভাবে পাতা হয়। বহুদি জালে আটকা পড়া মাছের সঙ্গে অংসখ্য রেনু মারা যায়। তেঁতুলিয়া নদীর চরব্যারেট, মমিনপুর, ধুলিয়া, নিমদি, চরওয়াডেল, বোরহানউদ্দিনের সাঁচড়া ও লালমাহনের নাজিরপুর পয়ন্টে এবং লোহালিয়া নদীর ঝিলনা ও বাহেরচর পয়ন্টে অংসখ্য বহুদি জাল দিয়া মাছ শিকার করা হচ্ছে। সরকারি নিয়মে ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটারের ফাঁসের জাল দিয়ে নদীতে মাছ শিকার করার নিয়ম। অথচ বড় জাল তরি করা হয় মশারী দিয়ে। অপরাদিকে বাঁধা জালের ফাঁস মশারীর ফাঁসের চেয়ে কিছুটা বড়।

জেলেদের মধ্যে বড় ও বাঁধা জাল রাক্ষুস জাল হিসেবেও পরিচিত।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এক শ্রণীর দাদন ব্যবসায়ী জেলেদের তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীতে নির্বিঘ্নে বড় ও বহুদি জাল দিয়ে মাছ শিকার করাছেন। ইতিমধ্যে একাধিক দাদন ব্যবসায়ী শূণ্য থেকে কোটিপতি হয়ে গেছেন। কালাইয়া লঞ্চঘাট এলাকার একাধিক দাদন ব্যবসায়ী শূণ্য থেকে এখন কোটিপতি।সম্প্রতি বাউফলের চদ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরব্যারেট এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর এপাড়-ওপাড় জুড়ে নিষিদ্ধ বাঁধা জাল (বহুদি) পেতে মাছ ধরার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছেন ৩ শতাধিক জেলে। বিক্ষোভ অংশ নেয়া জেলেরা জানান, ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাঁচড়া ইউনিয়নের শতাধিক জেলে তেঁতুলিয়া নদীর এপাড় ওপাড় জুড়ে প্রতিদিন নিষিদ্ধ বাঁধা জাল পেতে মাছ শিকার করছে। ফলে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রজাতির মাছের অসংখ্য রেনু ধংস হচ্ছে। অবিলম্বে ওই রাক্ষুস জালের ব্যবহার বন্ধ করার দাবী জানান জেলরা।ইলিশ প্রজননের জন্যে ২২ দিন নিষধাজ্ঞার পর বর্তমান নদ-নদীতে ‘চাপিলা’ হিসেবে পরিচিত ইলিশের পোনায় সয়লাব হয়ে গেছে। প্রতিবছরই ইলিশের পোনা শিকার করার জন্য নিষিদ্ধ বাঁধা জাল ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র। এবারও তেঁতুলিয়া নদীতে বাঁধা জাল পাতা মাছ শিকারের মহাৎসবে মেতেছে চক্রটি।

এ প্রসঙ্গে বাউফল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, বাঁধা ও বড় জালের কারনে নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যহত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ কম্বিং অপারশন পরিচালনা করে অবাধে জাল উদ্ধারের পর তা ধংস করেছে।তিনি বলন, নদীতে অবাধে জালের ব্যবহার বন্ধর জন্য র‌্যাব ও কোষ্টগার্ডের অভিযান বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে অভিযান পরিচালনার জন্য সরকারকে আধুনিক ন্যজ ও চাহিদা মোতাবেক আর্থিক বরাদ্দ প্রদান করতে হবে।###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |