ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
নাশকতা মামলার আসামী এখন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা

নাশকতা মামলার আসামী এখন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা

গোলাপ হোসেন, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ ৮ সেপ্টেম্বর/২২ ২০১৩ সালের বিএনপি জামায়াতের জ্বালাও পোড়াও নাশকতা মামলার মুল এজাহার নামীয় আসামী মোঃ রুহুল আমিন বর্তমানে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৬নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ রুহুল আমিন পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউপির কামার গ্রামের মোঃ রহিম উদ্দীনের ছেলে।এদিকে নাশকতা মামলার আসামী কি করে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মী।২০১৩ সালে জামায়াত-বিএনপির জ্বালাও পোড়াও তান্ডব চালাকালীন সময়ে তৎকালীন পাঁচবিবি থানায় কর্মরত এস আই জিল্লুর রহমান ও এস আই আমিনুর বাদি হয়ে ১৪৮ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ হাজার জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন পাঁচবিবি থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোঃ হাবিব। যার মামলা নং ০৩/০৩-০৩-২০১ইং। সেই মামলার মুল এজাহারে ৪১ নম্বর আসামী তালিকায় আছেন মোঃ রুহুল আমিন।মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন নাশকতা মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

ছাত্র জীবন থেকেই আমি রাজনীতি করে আসছি। ২০১৩ সালে বিএনপি জামায়াতের নাশকতার সময় শত্রুতার করে কে বা কাহারা আমার নাম এই মামলায় দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলার নেতাকর্মীরাও জানে। বিষয়টি তারা দেখছেন।মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ নওয়াব আলী বলেন, নাশকতা মামলার বিষয়টি শুনেছি। সে সময়ে শত্রুতা মূলক তার নামে নাশকতা মামলা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথাও হয়েছে।

পাঁচবিবি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রফিউল ইসলাম বলেন, রুহুল আমিন নাশকতা মামলার আগে থেকে ওই ইউনিয়নে কাউন্সিলের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।পাঁচবিবি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ হোসেন মন্ডল বলেন, রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরী করতে গিয়ে কে আওয়ামীলীগ করে আর কে করেনা নেতারা সেই বিষয়টি আর মাথায় রাখেনা। তাছাড়া অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কমিটিগুলো মুল দলের সাথে আলোচনা না করেই অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের কমিটি তৈরী করেন নেতারা। একারনেই নাশকতা মামলার আসামী এখন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। এঁরা দলের জন্য ক্ষতিকর। বিষয়টি জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটিকে অবগত করছি। 

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |