ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
এ বছর রংপুরে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

এ বছর রংপুরে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

ফিরোজ মাহমুদ রংপুর।। 
রংপুর জেলার প্রতিটি   উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যেকটি গ্রামে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। তবে স্থানীয় বাজারে কাঁঠাল না উঠলেও আগামী ২থেকে আড়াই মাসের মধ্যে ক্রয় বিক্রয় শুরু হবে বলে জানান গাছের মালিকেরা।এই জেলার কাঁঠাল মিষ্টি রসালো ও স্বাদে অুুলনীয় হওয়ায় এর কদর ও রয়েছে বেশ ভাল। তাই নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে এই জেলা থেকে বিভিন্ন প্রান্তরে সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

নানা প্রতিকূলতার মাঝেও স্থানীয় কৃষকরা এলাকায় কাঁঠাল গাছ রোপণ করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে সামান্য আয় করতে সক্ষম হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত গাছে কাঁঠালের যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে ফলন ভাল হবে বলে আশা করছে গাছের মালিকরা।কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানিয়েছে জেলার ইউনিয়নে উচুমানসম্পন্ন জমিতে প্রচুর কাঁঠাল ফলন হয়েছে।সরেজমিনে ঘুরে জেলার বেশ কয়েকটি  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে কাঁঠাল। গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তায় ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে অসংখ্য কাঁঠাল গাছ। প্রতিটি গাছের গোঁড়া থেকে আগা পযর্ন্ত শোভা পাচ্ছে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ জাতীয় ফল কাঁঠাল।

এক একটি গাছে ২০- ৮০টির মতো কাঁঠাল ধরেছে। এ জেলাকে যেন এক প্রকার প্রকৃতি দিয়ে যেন সাজানো হয়েছে। এক থেকে দেড় মাস পরেই মন কাড়ানো লোভনীয় কাঁঠাল ফলের গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠবে স্থানীয় হাট বাজার। কাঁঠাল গ্রীষ্ম মৌসুমের একটি জনপ্রিয় ফল।ছোট বড় সবাই কাঁঠাল খেতে পছন্দ করে। কাঁঠাল পাকা খাওয়ার পাশাপাশি মানুষের কাছে এই প্রিয় ফল ও তরকারী হিসেবে যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে। কাঁঠালের বীজ প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিকর একটি খাবার। কাঁচা ও পাকা কাঁঠালের বিচি মাংস ও সবজির সঙ্গে রান্না করা যায়। তাছাড়া কাঁঠালের ছাল গবাদিপশুর উন্নত মানের গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসকদের মতে, কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি, ভিটামিন ই- ক্যালসিয়াম ফলিক এসিড রয়েছে। টাটকা ফলে পটাশিয়াম ম্যাগনোশিয়াম এবং আয়রনের একটি ভাল উৎস। তাছাড়া পটাশিয়াম হার্টের গতি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাকা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ আঁশ রয়েছে। ফলে পাঁকা কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


 রংপুর সদর উপজেলার চন্দন পাট ইউনিয়নের রাসেল মিয়া বলেন, বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে, খোলা জায়গায় তার ১৫টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছে ১৫- ৪০টির কাঁঠাল এসেছে। গাছের কাঁঠালে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে পাকতে আরো প্রায় দেড় থেকে ২ মাস সময় লাগবে। তবে অন্য বছরের চাইতে এবার গাছে অনেক কাঁঠাল বেশি এসেছে বলে জানায়।একই ইউনিয়নের রাজু আহমেদ  বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার গাছে ভালই কাঁঠাল এসেছে। এ বছর আগাম ১০ টি গাছের ফল পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।গত বছরের চাইতে ভাল দাম পাওয়া গেছে বলে জানায়। কৃষি কর্মকর্তারা জানা এজেলায় কাঁঠাল চাষের জন্য খুবই উপযোগি। এখানকার কাঁঠাল মিষ্টি ও রসালু হওয়ায় কদরও রয়েছে ভাল। এই ফল উৎপাদনে বাগান মালিকদের তেমন খরচ নেই বলে চলে। ফলন ভালো করতে সার্বিকভাবে পরামর্শ দেয়া হয় কাঁঠাল গাছ মালিকদের###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |