ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
পাঁচবিবিতে জীবনের নিরাপত্তার দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদারীপুরের রাজৈরে জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ কালকিনি ইউএনওকে কবিতার সৌজন্য কপি উপহার দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেকুজ্জামান শিবগঞ্জে ১৫টি ইউপিতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ পাঁচবিবিতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক পাঁচবিবিতে পাটের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা তারাগঞ্জে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা ও ২০৭ মেট্রিক টন গম ও চাল ভাগ-বাটোয়ারা হেনোলাক্স গ্রুপের এমডি ও পরিচালক গ্রেপ্তার বিধবা নয়, তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা :>শিবগঞ্জে কার্ড বিতরনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ টুঙ্গিপাড়ায় দুঃস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সেনাপ্রধানের ঈদ উপহার বিতরণ
একজন জয়িতা নারী রোজিনার গল্প

একজন জয়িতা নারী রোজিনার গল্প

।কাওছার হামিদ কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি : কথায় আছে যে রাধে সে চুলও বাধে। অভাবের সংসারের ছেলের স্কুলের খরচ ,ইনজিওর সাপ্তাহিক কিস্তি খরচ। এর পরও প্রতিবেশী আপদে বিপদে পাশে দাঁড়ানো সবকিছু সামলে এবার নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়ন পরিষদের ১,২,ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মহিলা সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন রোজিনা বেগম।

নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়ালপুকুর গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী রোজিনা বেগম। ২০০৫ সালে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে করেন একই গ্রামের বেকার তরিকুলকে। বিয়ের পর চরম অভাবে অনাটনের মধ্যে দিন কাটছিল ওই দম্পতির ।স্বামী তরিকুল ইসলাম রুটির তন্দুরে শ্রমিক হিসাবে কাজ শুরু করেন। স্বামীর রোজগারেও অভাব যেন কিছুতেই পিছু ছাড়তো না।রোজিনা তখন বাধ্য হয়ে ওয়াল্ডভিশনের লাভলী হুড প্রগ্রাম সদস্য হন।সেখান থেকে তিনি একটি বকনা গরু নিয়ে পালন করেন। ওই গরু থেকে তার তিনটি গরু হয় ।

এছাড়াও তিনি এসডি এফ এর ক্যাশিয়ার নির্বাচিত হন।তখন একটু একটু করে স্বচ্ছলতা ফিরতে শুরু করে সংসারে। এক সময় তিনি স্বামীকে রুটির তন্দুর থেকে নিয়ে এসে একটি ইজিবাইক কিনে দেন।স্বামীও প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা রোজগার করতে থাকেন।এব্যাপারে কথা হলে রোজিনা বেগম জানায় ,বিয়ের পর পারিবারিক অসন্তোষ লেগেই ছিল।ওই সময় আবার প্রথম সন্তানের জম্ম। অভাবের তারনায় দিশেহারা হয়ে পরেছিলাম ।না পারছিলাম বাবার সংসারে ফিরতে , না পারছিলাম স্বামীকে ছাড়তে। তার মানে এমনটি অবস্থা ছিল শ্যাম রাখি না কুল রাখি ।

আমার সাংসারিক অবস্থায়ই যখন ভাল নয় প্রতিবেশীদের নানা সমস্যা আমার বিবেককে নাড়া দেয়। একজন মানুষের সমস্যায় আর একজন মানুষ পাশে দাড়ানোকে দায়িত্বঞ্জান মনে করে তাদের সমস্যা লাঘবে চেস্টা করি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সফল ও হয়েছি ।

এভাবে আমার কাজ কর্মের কথা এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ২০২১ সালে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে আমাকে জয়িতা নির্বাচিত করা হয়। জয়িতা নির্বাচিত হওয়ার পর ওই গ্রামবাসীরাই আমাকে গত নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা পদে দাড়ানোর উৎসাহ তৈরী করে দিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেন।

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |