ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহে জেলা ও মহানগর আ.লীগের সম্মেলন শুরু কলাপাড়ায় সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট চর হেয়ার ও সোনারচর ঠাকুরগাঁও জগদল সীমান্তে দুই বাংলার হাজারো মানুষের দিনব্যাপী মিলন মেলা কোর্ট এর আদেশ লঙ্গন করতে গেলে আ’লীগ রাস্তায় দারাবে !!গোলাপ এমপি র‌্যাব-৩ এর অভিযানে সৌদি আরবে মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার শিশুদের পাইলসের লক্ষণ, অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি কতটা? হেরেও নকআউটে স্পেন, চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিদায় !!স্মরণীয় জয়ে গ্রুপসেরা জাপান ফরিদপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপির ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বাঙালির মাছ ভাজি’ নিয়ে বিতর্ক, ক্ষমা চাইলেন পরেশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলন কাল, নেতৃত্ব যাচ্ছে ওবায়দুল কাদের হাতে?
উদ্বোধনের পরও কাজে আসছে না ১৩ কোটি টাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

উদ্বোধনের পরও কাজে আসছে না ১৩ কোটি টাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

আঃ মজিদ খান, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ উদ্বোধনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি পটুয়াখালীর মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। চাহিদা অনুযায়ী জায়গা না থাকা, অসাধু ব্যবসায়ী এবং মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছেন মৎস্য ব্যবসায়ী নেতারা। ফলে সরকার বছরে হারাচ্ছে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা রাজস্ব।স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মৎস্য আহরণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের জন্য ২০১২ সালে আলিপুর মহিপুরের দুইটি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন।

চার বছর পর ২০১৬ সালে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে  নির্মাণকাজ শুরু হয়। আধুনিক মৎস্য বিক্রয়কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এখানে নির্মাণ করা হয় ট্রলার থেকে মাছ নামানোর জন্য পল্টুন ও গ্যাংওয়ে, এক হাজার বর্গফুটের অকশন এলাকা, প্যাকেজিং সেট, আড়তদার কক্ষ, বরফকল, জেনারেটর কক্ষ, অফিস ভবন, পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধাসহ মাছ পরিবহনের জন্য সাত হাজার বর্গফুটের একটি ট্রাক স্ট্যান্ড। মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দুটির একটি আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পুরোদমে জেলে ও পাইকারদের হাঁকডাকে সরগরম থাকলেও, নিস্তব্ধ মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।

সবকিছুই রয়েছে তালাবদ্ধ অবস্থায়। বন্দরের জেলে আতিক বলেন, উদ্বোধনের করা হয়েছে কিন্তু এটা আগের মতোই পরে আছে। এখানে যেন দ্রুত কার্যক্রম চালু করে সেই দাবি জানাই।মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহম্মেদ রাজা বলেন, আমরা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে যেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। কিন্তু কীভাবে যাব? মহিপুরে ৮২টি আড়ৎদার থাকলেও জায়গা দিয়েছে ৪০ জনকে। এরকম প্রতিটি স্থানেই সংকট।

তাই বন্দরের সার্বিক স্বার্থে আমরা সেখানে যেতে পারছি না।অবতরণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক শাকিল আহমেদ বলেন, মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্বোধন হয়েছে কিন্তু অপারেশনে যেতে পারেনি। এজন্য বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ মৎস্য বন্দর নেতাদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেছে। তবে নেতাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোহয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই অপারেশনে যেতে পারব।###

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |