ডেইলি তালাশ
ডেইলি তালাশ এ আপনাদের স্বাগতম। সময়ের সাথে সবার আগে বস্তুনিষ্ঠ সত্য সংবাদ পেতে আমাদের ওয়েভ-সাইট সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
শিরোনামঃ
পাঁচবিবিতে জীবনের নিরাপত্তার দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদারীপুরের রাজৈরে জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ কালকিনি ইউএনওকে কবিতার সৌজন্য কপি উপহার দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেকুজ্জামান শিবগঞ্জে ১৫টি ইউপিতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ পাঁচবিবিতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক পাঁচবিবিতে পাটের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা তারাগঞ্জে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা ও ২০৭ মেট্রিক টন গম ও চাল ভাগ-বাটোয়ারা হেনোলাক্স গ্রুপের এমডি ও পরিচালক গ্রেপ্তার বিধবা নয়, তবুও পাচ্ছেন বিধবা ভাতা :>শিবগঞ্জে কার্ড বিতরনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ টুঙ্গিপাড়ায় দুঃস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সেনাপ্রধানের ঈদ উপহার বিতরণ
উত্তর অঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে

উত্তর অঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে

ফিরোজ মাহমুদ রংপুর >>> প্রায় অর্ধমাস ধরে টানা মৌসুমি প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের নেমে আসা পাহাড়িঢল পানির কারনে হু হু করে বাড়ছে উত্তর অঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি।এই নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষগুলো এখন তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে ছুটে চলেছেন। ভাঙ্গন আতংকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিস্তা পাড়ের  হাজার হাজার পরিবার। লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধার দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বর্তমান  (৫২.৭০ সেন্টিমিটার) বিপদসীমার ১০ সেন্টিমটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,ভারতের উজান থেকে হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বন্যাসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।এদিকে  আষাঢ়ের শুরু হতেই বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। বিপদসীমা অতিক্রম করে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে প্রবেশ করছে। তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের কাটাচ্ছে নির্ঘুম রাত।পানি প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে তলিয়ে গেছে বাদাম, মরিচ, পেঁয়াজ, মিষ্টি কুমড়া ও বিস্তীর্ণ চরের বিভিন্ন ফসল। প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ হাঁটু থেকে কোমর পানিতে বন্দী দশায় দিন অতিবাহিত করছে।বন্যা কবলিত এলাকায় নিরাপদ পানি সংকটেও পড়েছেন তারা। দেশের উজানের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি স্লুইসগেট খুলে রাখা হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতে তিস্তা ছাড়াও মানাস, টেপা, ঘাঘট, করতোয়া, যমুনেশ্বরী, আখিরা-মাচ্চা নদীসহ জেলার অন্যান্য নদ-নদী ও খাল-বিলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।গতকাল শনিবার বৃষ্টিপাতের কারনে আরও বেড়েছে। আর তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান। শুক্রবার সকালে রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী, নোহালী কচুয়া,আলমবিদীতর, কোলকোন্দ, গজঘণ্টা ও মর্নেয়া, কাউনিয়ার বালাপাড়া, পীরগাছা উপজেলার ছাওলা, তাম্বুলপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর সম্ভাব্য ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ আগাম মজুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবো। এ ছাড়া বিনবিনিয়ায়  স্থানীয়দের৷দুটি দেওয়া বাঁধ আটকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাশের স্পার ও জিও টিউব ব্যাগ ফেলছে। লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানিয়েছে,ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে যাওয়ায় আমরা মাইকিং করে বয়স্ক, অসুস্থ নারী-পুরুষ এবং শিশুদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। ইতোমধ্যে নৌকা দিয়ে অনেককে উঁচু স্থানে নেওয়া হয়েছে। তার ইউনিয়নের ৫টি নিচু ওয়ার্ডের অন্তত ১০ হাজার বাড়িঘর হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে।গজঘন্টা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, প্রতিদিনই তার ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়ছে। কোলকোন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের ৬টি ওয়ার্ডের প্রায় ১২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানির তোড়ে অনেক স্থানে রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। দুর্গত এলাকায় মানুষ খুবই বিপাকে পড়েছেন।এদিকে  বিনবিনিয়াচরের পশ্চিমপাড়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভেঙে যাচ্ছে বাঁধ, বাঁশঝাড়, জমি, বসতবাড়ি। বেড়িবাঁধটির পূর্বের অনেক অংশ এরই মধ্যে ভেঙে গেছে।নোহালী কচুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, ওই ইউনিয়নের ১৬ হাজারেরও বেশি  মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে মর্নেয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানান,তার ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজারের বেশি  মানুষ পাবিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রতিবছর ভারতের উজান থেকে হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢাল ও   আকস্মিক বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চলের কৃষি ও কৃষকরা।তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তির ব্যর্থতা ও সরকার ঘোষিত তিস্তা নিয়ে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কালক্ষেপণে এ অঞ্চলে প্রতিবছর ক্ষয়ক্ষতি বাড়াচ্ছে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানিয়েছে, উজানের ঢল আর অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘটসহ এ অঞ্চলের নদ-নদীতে পানি বাড়তে থাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে উত্তর অঞ্চলের নীলফামারীর জলঢাকা, ডোমার, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ, , লালমনিরহাট সদর,আদিতমারী কুড়িগ্রামের রাজারহাট, রৌমারী, সদর, রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের বেশ কিছু নিচু এলাকাগুলোতে পানি ঢুকে পড়েছে।রংপুরের ভাঙ্গন কবলিত কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনিয়া চর ও লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম /####

পোস্টটি শেয়ার কারুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপনঃ

রাজনীতি

অপরাধ ও দুর্নীতি

© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Mak Institute of Design |